বিদ্যুৎ বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১st August ২০১৯

আইসিটি

সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার সাথে সংগতি রেখে বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎখাতে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। বিদ্যুৎ খাতে গৃহীত তথ্য প্রযুক্তি কর্মসূচিসমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হল:

 

গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি:

ক) বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ: গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ পদ্ধতি আরও সহজ করা প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন ও অনলাইনের মাধ্যমে বিল প্রদান পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে।

  1. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে: বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ সহজিকরনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ গ্রাহকের একাউন্ট কম্পিউটারের ডাটাবেইজের আওতায় আনা হয়েছে। অপরদিকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গ্রাহকগণ যাতে বিদ্যুৎ বিল খুব সহজেই পরিশোধ করতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এ ব্যবস্থা চালু আছে।
  2. অন-লাইনের মাধ্যমে: গ্রাহকগণ এখন ইন্টারনেট/ অন-লাইনের মাধ্যমেও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সকল বিদ্যুৎ বিতরণতকারী সংস্থা এ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা প্রদাণ করে যাচ্ছে।
  3. মোবাইল এ্যাপস এর মাধ্যমে গ্রাহক সেবা প্রবর্তনঃ ডেসেকো কর্তৃক পরিচালিত মোবাইল এ্যাপস এর মাধ্যমে গ্রাহকগণ খুব সহজেই গ্রাহক সংক্রান্ত সকল তথ্যাদি (বিল পেমেন্ট তথ্য, ব্যবহৃত ইউনিটের হিসেব ইত্যাদি) মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে সেবা পাচ্ছে।

খ) অন-লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ: সকল বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাসমূহ অন-লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা চালু করেছে। এ ব্যবস্থার ফলে গ্রাহকগণ ঝামেলামূক্তভাবে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করতে পারেন এবং অন-লাইনের মাধ্যমেই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব অল্প সময়ে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ সংযোগ পাচ্ছেন।

গ) অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাপনা সিস্টেম: বিদ্যুৎ গ্রাহকগণের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অনলাইন অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে গ্রাহকগণ বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যেকোন অভিযোগ দাখিল করতে পারেন, অভিযোগের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন এবং বিদ্যুৎ বিভাগ সকল কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারে। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিভাগে কেন্দ্রিয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। গ্রাহকগণ তার নিজ এলাকায় কোন অভিযোগের প্রতিকার না পেলে বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রিয় কন্ট্রোল রুমে টেলিফোন/মোবাইলের মাধ্যমে অভিযোগ দিতে পারেন। প্রাপ্ত অভিযোগ স্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রেরণ করা হয় এবং খুব দ্রুত প্রতিকার করা হচ্ছে।  

ঘ) অন-লাইন নিয়োগ ব্যবস্থাপনা চালুকরণ: অন-লাইনের মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে চাকুরী প্রার্থীগণ দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে দ্রুততার সাথে তাঁদের আবেদন পাঠাতে পারছেন এবং সাথে সাথে অফিস কর্তৃক প্রাপ্তির নিশ্চয়তা পত্র দেয়া হচ্ছে। এ ব্যবস্থাপনার সফটওয়ারটি সকল ইউটিলিটিতে চালু করা হয়েছে।

ঙ) Enterprise Resource Planning (ERP): বিদ্যুৎ খাতের জন্য সমন্বিত Enterprise Resource Planning (ERP) প্রবর্তনের উদ্যেগ নেয়া হয়েছে । আইসিটি কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ERP বাস্তবায়নের নিমিত্তে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় বিদ্যুৎখাতে আইসিটি উন্নয়নে পরিকল্পনা “ICT Road Map for Bangladesh Power Sector”  প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে ERP এর চারটি মডিউলের মধ্যে ২টি মডিউলে ডাটা এন্টির কাজ চলমান আছে।

চ) সমন্বিত ওয়েব সাইট (www.mpemr.gov.bd) প্রনয়ন: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের জন্য একটি সমন্বিত ওয়েব সাইট প্রস্তুত করা হয়েছে। যার মাধ্যমে জনগন যে কোন অভিযোগ দাখিল করতে পারবে এবং এ খাতের সাফল্য এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়য়ের ওয়েব সাইট এরং ‘এ্যাপস’ এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সংক্রান্ত আভযোগ ব্যবস্থাপনা গত ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে চালু করা হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গ্রাহক যে কোন অভিযোগ জানাতে পারেন এরং সম্ভাব্য কম সময়ের মধ্যে (অভিযোগের ধরন অনুযায়ী) অভিযোগ নিস্পত্তি করা হয়।

ছ) সোশাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতের বিভিন্ন কার্যক্রমসহ অর্জন সমূহ তুলে ধরা ও ‘‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’’ ব্রান্ডিং প্রচার করা হচ্ছে।

প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি

ক) ই-ফাইলিং ব্যবস্থাপনা: বিদ্যুৎ বিভাগ ডিজিটাল পদ্ধতিতে নথি ব্যবস্থাপনা (ই-নথি) বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ডাক দেখা, ডাকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নোটে উপস্থাপন ও নিস্পত্তি করা ইত্যাদি কার্যাদি ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ এর আওতাধীন সকল দপ্তর/সংস্থা/কোম্পানিতে নথি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নথির কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।

খ) অন-লাইন প্রকল্প পরিবীক্ষণ ব্যবস্থাপনা: বিদ্যুৎ বিভাগের এডিপিভূক্ত প্রকল্পগুলো অনলাইনে মনিটর করার অন-লাইন প্রকল্প পরিবীক্ষণ ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার এডিপিভূক্ত প্রকল্পগুলোর প্রকল্প পরিচালকগণের অফিস দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত। প্রকল্প পরিচালকগণের নিকট হতে তথ্য একীভূত করে সংস্থাভিত্তিক তা বিদ্যুৎ বিভাগে পরিবীক্ষণ করা বেশ কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষে ছিল এবং এজন্য প্রচুর কাগজের অপচয় হত। ওয়েব ভিত্তিক প্রকল্প পরিবীক্ষণব্যবস্থাপনা চালু করায় দূর-দূরান্তে অবস্থিত অফিস হতে প্রকল্প পরিচালকগণ কর্তৃক তথ্য প্রদানের সাথে সাথেই তা পরিবীক্ষণকরা সম্ভব হচ্ছে এবং একই তথ্য বারংবার টাইপ করতে হয়না বলে, অফিসের সময়ও সাশ্রয় হচ্ছে।

গ) ভিডিও কনফারেন্সিং পদ্ধতি চালুকরণ: বিদ্যুৎ বিভাগসহ এর আওতাধীন ইউটিলিটিসমূহের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সিং চালু করা হয়েছে। বর্তমানে মাসিক সমন্বয় সভা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন সভায় ইউটিলিটি প্রধানগন নিজ নিজ অফিসে বসেই সভায় যোগদান করতে পারেন।

ঘ) সমন্বয় সভার জন্য মিটিং রিপের্টিং সফটওয়্যার চালুকরণ: বিদ্যুৎ বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভার জন্য মিটিং রিপের্টিং  সফটওয়্যার বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে সংস্থাসমূহ প্রতিমাসে নিয়মিত অন-লাইনে তথ্য প্রেরণ করে। এর ভিত্তিতে মাসিক সমন্বয় সভায় তথ্য উপস্থাপন করা হয়। 

ঙ) পিএমআইএস সফটওয়্যার চালুকরণ: বিদ্যুৎ খাতে সংশ্লিষ্ট ইউটিলিটিসমূহে সমন্বিত একক পিএমআইএস সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারের কল্যাণে বিদ্যুৎ বিভাগ ইউটিলিটিসমূহের যেকোন কর্মকর্তা/কর্মচারিগণের তথ্য খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে।

সুশাসন প্রতিষ্ঠা

ক) স্টোর ব্যবস্থাপনা: কম্পিউটারভিত্তিক স্টোর ব্যবস্থাপনা চাল করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি সম্পদের অপচয় রোধ হচ্ছে এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার ফলে মালামাল ক্রয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতা নিশ্চিত হচ্ছে।

খ) অটোমেটেড রিমোট মিটার পদ্ধতি চালুকরণ: ইউটিলিটিসমূহের সকল প্রবেশ পয়েন্টে অটোমেটেড রিমোট মিটার পদ্ধতি চালু করায় কম্পিউটারের মাধ্যমে অতি সহজেই বিদ্যুতের হিসাব ও বিল প্রণয়ন করা হচ্ছে। এছাড়া বড় বড় এইচটি গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও Automated Meter Reading (AMR) মিটার বসানো হয়েছে। ফলে বড় বড় গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল প্রণয়নের ক্ষেত্রে অনিয়ম করার সুযোগ বহুলাংশে কমে এসেছে। এ ব্যবস্থা সকল এইচটি গ্রাহকদের জন্য চালু করা হবে।

গ) প্রি-পেইড মিটারিং পদ্ধতি চালুকরণ: বিদ্যুৎ বিল পরিশোধকে ঝামেলামূক্ত করাসহ বিদ্যুৎ বিল আদায় শতভাগ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ দেশব্যাপী প্রি-পেইড মিটারিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। প্রি-পেইড মিটার ব্যবস্থার ফলে জনগণের মধ্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মনোভাব সৃষ্টি হচ্ছে এবং মিটার রিডিং সংগ্রহের নামে গ্রাহক ভোগান্তি কমে আসছে।

ঘ) ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থাপনা: টেন্ডারিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে আইএমইডি’র সিপিটিইউ এর মাধ্যমে ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন সকল দপ্তর/সংস্থা/কোম্পানিসমূহ শতভাগ ই-টেন্ডারিংয়ের মাধ্যমে তাদের ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

ঙ) ‘‘স্ন্যাপ সট’’ এর মাধ্যমে মিটার রিডিং: বিদ্যুৎ খাতের জন্য আধুনিক ‘‘স্ন্যাপ সট’’ পদ্ধতিতে বিদ্যুতের মিটার রিডিং সংগ্রহ এবং স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে তথ্যাদি সরাসরি সার্ভারে প্রেরণের লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই বিউবো’র বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও রংপুর অঞ্চলে এ পদ্ধতিটি শতভাগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অচিরেই বিউবো’র অন্যান্য বিতরণ এলাকাসহ সকল বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থায় এ সফটওয়্যারটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

চ) অডিট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: বিদ্যুৎ খাতের জন্য একটি সমন্বিত অডিট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে করে অডিট নিষ্পত্তি আরো সহজতর এবং গতিশীল হয়েছে। ফলে প্রতি নিরীক্ষা বছরের অডিট আপত্তি ও নিষ্পত্তির ব্যবধান কমে যাবে। অনিয়ম ও অস্বচ্ছতা হ্রাস পাচ্ছে। সর্বস্তরে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

ছ) আইডিয়া প্রতিযোগিতা : ‘‘১ আইডিয়াতে বাজিমাত’’ শিরোনামে গত ডিসেম্বর ২০১৬ এবং জানুয়ারি ২০১৭ মাস জুড়ে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হতে একক বা দলীয়ভাবে অংশগ্রহণপূর্বক উদ্ভাবনী আইডিয়া আহবান করা হয়েছে।  যার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং সমাধানকল্পে একটি অনন্য উদ্ভাবন খুঁজে বের করা। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে একক বা দলীয়ভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মোট ৪৮২টি আইডিয়া জমা পড়ে এবং প্রাথমিকভাবে ১৪৯টি আইডিয়া বাছাই করা হয়। বাছাইকৃত আইডিয়াসমূহ হতে চূড়ান্ত উদ্ভাবনী আইডিয়া নির্বাচনের নিমিত্তে গত ২১ মার্চ ২০১৭ খ্রিঃ বিদ্যুৎ ভবনন্থ বিজয় হলে ‘আইডিয়া বুট ক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ‘আইডিয়া বুট ক্যাম্প’ এর মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে তিনজন প্রতিযোগি/দলকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হিসেবে নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত প্রতিযোগী/দলকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব নসরুল হামিদ, এম.পি. পুরস্কার প্রদান করেন।

জ) এনার্জি হ্যাকাথন : সমস্যা যেখানে আছে, সেখানেই আছে সমাধান। দেশের সব সমস্যাকে নিরসনের পথে নতুন নতুন উদ্ভাবনী চিন্তা ও কৌশল কাজে লাগিয়েই দেশের জ্বালানির সংকট সমাধানের স্বপ্ন। সে লক্ষ্যেই সীমিত জ্বালানি সম্পদকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার ও জ্বালানি সংকট নিরসনের বিভিন্ন উপায় নিয়ে শুরু হয়েছে ‘‘এনার্জি হ্যাকাথন’’।


Share with :

Facebook Facebook