বিদ্যুৎ বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st জুন ২০২১

জ্বালানি দক্ষতার বর্তমান অবস্থা

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মানব উন্নয়নের জন্য জ্বালানি একটি বাধ্যতামূলক প্রয়াস যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জ্বালানি ব্যবহার উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তুলে। ২০৩০ এবং তারপরেও টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬% কিংবা তার উপরে রাখতে হলে প্রয়োজনীয় জ্বালানির আবশ্যকীয়তাসমূহ পূরণ করতে হবে। বিদ্যুতের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জ্বালানি স্থায়িত্ব অর্জন করতে হলে কেবল জ্বালানি সরবরাহ নয় জ্বালানি ব্যবহারেরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বিভিন্ন পণ্য এবং সেবা প্রদানের জন্য আবশ্যকীয় জ্বালানির পরিমাণ হ্রাস করা এ ব্যাপারে আবশ্যক। জ্বালানি কার্যকারিতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি-টেকসই জ্বালানির দুই স্তম্ভ বলা হয়।

জ্বালানি কার্যকারিতার উন্নয়নের প্রাথমিক দুটি প্রভাব (১) জ্বালানি নিরাপত্তার উন্নয়ন, (২) কার্যকর পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা। এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে কার্যকর জ্বালানি ব্যবহার আন্দোলনে ভাল ফল পাওয়া যাবে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে কার্বন নিঃসরণ কমবে।
শিল্প, আবাসিক এবং বাণিজ্যিক ভবন এবং সেবাখাতে জ্বালানি কার্যকারিতা এবং সংরক্ষন নিশ্চিত করতে সম্প্রতি স্রেডা নতুন কৌশল নেওয়া শুরু করেছে। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং স্রেডা নিয়মিত সেমিনার এবং কর্মশালার আয়োজন করছে।স্কুল পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে সচেতনতামূলক স্কুলিং প্রোগ্রাম আয়োজন করা হচ্ছে।
নিম্ন কার্বন নিঃসরণসহ টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য ব্যবহারকারী পর্যায়ে প্রাথমিক এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের জ্বলানি ব্যবহার এবং সংরক্ষণের মাধ্যমে জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ মহাপরিকল্পনা ২০৩০ এ ২০২১ সালের মধ্যে ১৫% জ্বালানি সাশ্রয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।  
কার্যকর জ্বালানি ব্যবহার এবং হ্রাসকৃত জ্বালানি খরচের জন্য সরকার নিম্নলিখিত উদ্যোগুলো গ্রহণ করেছে:

  • জাতীয় পাঠ্যপুস্তক পাঠ্যক্রম, মাদ্রাসা এবং কলেজে জ্বালানি কার্যকারিতা ব্যবস্থা, বিকল্প এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়সমূহ চালু করা হয়েছে;
  • সকল সরকারি, বেসরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানোর কাজ চলছে; রুফটপ সোলার ট্যারিফ নির্ধারনের রেগুলেশন এর খসড়া প্রস্তুত করা হচ্ছে।
  • ইনক্যান্ডেসেন্ট বাল্বের পরিবর্তে  জ্বালানি এলইডি লাইট বসানো এবং ম্যাগনেটিক ব্যালাস্ট, ইলেক্ট্রনিক ব্যালাস্ট দ্বারা পরিবর্তনের কাজ চলছে।
  • সাশ্রয়ী লাইট যেমন: এলইডি ব্যবহার করার জন্য ব্যবহারকারীদেরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
  • বৃহদায়তনের ভোক্তাদের জ্বালানি নিরীক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
  • অদক্ষ ইটভাটা থেকে ধীরে ধীরে দক্ষ ইটভাটায় পরিবর্তন।
  • গ্যাসচালিত সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে কম্বাইন সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রুপান্তরের জন্য সরকার লক্ষিত কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।
  • বিল্ডিং এনার্জি এন্ড এনভায়রনমেন্ট রেটিং এর খসড়া প্রস্তত করা হচ্ছে। নতুন ভবন বিধিতে জ্বালানি কার্যকারিতা এবং সৌর জ্বালানির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে ভবন বিধি সংশোধন করা।
  • উন্নত রাইস পার-বয়লিং সিস্টেম থেকে দক্ষ রাইস পার-বয়লিং সিস্টেমে পরিবর্তন করা হচ্ছে।
  • জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য জনসচেতনতা মুলক কর্মসূচী শুরু হয়েছে।
  • শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার কমানো কিংবা তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সে. এবং তার উপরে রাখার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
  • আমদানিকৃত/দেশে তৈরী ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের এনার্জি স্টার লেবেলিং কর্মসূচী চালুর নিমিত্তে এনার্জি স্টার লেবেলিং রেগুলেশন প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন


Share with :

Facebook Facebook